তারবিহীন ওয়াইফাই সংযোগের আওতায় শাবি ক্যাম্পাস
শাবি, ০২ সেপ্টেম্বর (বিডিন্যাশনাল নিউজ ডটকম):- শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘তথ্যের অধিকার সবার, প্রযুুক্তির সাথে আরো একধাপ’ এই ¯োগানকে সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক ছাত্র হলে উচ্চগতির তারবিহীন ইন্টারনেট সংযোগ ওয়াইফাই চালু করা হয়েছে । ছাত্রদের দুটি আবাসিক হল শাহপরাণ ও দ্বিতীয় ছাত্র হলে ওয়াইফাই সংযোগ উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মো. সালেহ উদ্দিন । দুটি ছাত্র হলে ওয়াইফাই সংযোগের ফলে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় তারবিহীন ইন্টারনেট সেবার আওতায় চলে এসেছে । যার ফলে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় সকল সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে পেছনে ফেলে তথ্য ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে শীর্ষে চলে এসেছে । পুরো ক্যাম্পাসে ওয়াইফাই সংযোগ থাকায় শাবি এখন ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয়েছে ।পূর্বে শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন ও ছাত্রী হলে এলাকায় ওয়াইফাই সংযোগ থাকলেও আবাসিক ছাত্র হল গুলোতে ১ম বারের মত ওয়াইফাই চালু করল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপ ।
ছাত্র হলে ওয়াইফাই উদ্বোধনের সময় উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল, কোষাধ্য প্রফেসর ড. ইলিয়াস উদ্দিন বিশ্বাস,ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক ড.মো: ইউনুস, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড.ইয়াসমিন হক, প্রফেসর ড. সুশান্ত কুমার দাস , শাহপরাণ হল প্রভোস্ট সৈয়দ হাসানুজ্জামান শ্যামল, ড. আনোয়ারুল ইসলাম দীপু এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক, কর্মকর্তা ও শিার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
উলেখ্য ১৯৯৮ সালে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শাবিতে ১ম তারবিহীন ইন্টারনেট চালূ করা হয় । বর্তমানে ইন্টারনেট স্পিড ১৬ গুন করা হয়েছে। এ কাজের জন্য ক্যাম্পাসে অপটিক্যাল ফাইবার দ্বারা সংযুক্ত ফ্যাসিলিটিগুলো সরাসরি ফাইবার অপটিক সাবমেরিন ক্যাবলের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে।সঙ্গে সঙ্গে অনলাইন জার্নাল সাবস্ক্রাইব ,ক্যাম্পাসে তারবিহীন নেটওয়ার্কিং ,সফটয়ার ডেভেলাপমেন্ট,আধূনিক মানসম্মত ওপেন সোর্স ল্যাব,পরিার ফলাফলে জটিলতা দূরীকরনে অত্যাধুনিক সফটওয়্যঅর সহ উন্নততর ব্যাবস্থা প্রনয়ন করা হয়েছে। শাবিতে সর্বপ্রথম মুঠো ফোনে এসএমএস ভর্তি পদ্ধতি ঊদ্ভাবকের পর পাবলিক বিশ্ববিদ্যায়ের মধ্যে সমগ্র বিশ্ববিদ্যালয়কে ওয়াইফাই প্রযুক্তির আওতায় আনা হয়েছে। ইতিপূর্বে গত জুন মাসে ছাত্রী হলে ওয়াইফাই চালু করা হয়।
প্রতিবেদক, কাজী রাকিন



























