দারিদ্র্য কমে যাওয়ার বিষয়ে সরকারী পরিসংখ্যান যথার্থ নয়: আনু মুহাম্মদ
ঢাকা, ২৭ জানুয়ারি (বিডিন্যাশনাল নিউজ ডটকম):- বাংলাদেশে দারিদ্র্য কমে যাওয়ার বিষয়ে সরকারী পরিসংখ্যান যথার্থ নয় বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ।
তিনি বলেছেন, ২০০৫ সালের দেশে ৪০ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করতো।
এরপর ২০০৭ সালে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদ করা হলো, এতে অনেকে নতুন করে দরিদ্র হয়েছে। ২০০৮ সালে দ্রব্যমূল্য অনেক বাড়ে। তাহলে ২০১০ সালে কিভাবে দারিদ্র্য কমে ৩১ শতাংশ হয়? এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়। আজ (শুক্রবার) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তা: বাস্তবতা ও করণীয় শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাধীনভাবে কাজ করতে না পারায় পরিসংখ্যান ব্যুরো ভুল তথ্য তুলে ধরেছে দাবি করে আনু মোহাম্মদ আরও বলেন, সঠিক গবেষণার অভাবে আমরা অনেক পিছিয়ে যাচ্ছি। আমাদের গবেষণা প্রতিষ্ঠান যেগুলো আছে তারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে না।
অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, দেশে খাদ্য নিয়ে ফটকাবাজি হচ্ছে। গত কয়েক দশকে খাদ্য পণ্যের চাহিদা অনেক বেড়েছে। মুনাফাখোররা বুঝে গেছে, খাদ্য পণ্যের দাম বাড়লেও চাহিদা কমবে না কেননা মানুষকে তিনবেলা খাবার খেতে হবে। রাজনৈতিক অঙ্গীকার না থাকায় কৃষককে ঠকিয়ে মধ্যস্বত্তভোগীরা ২০ গুণ দাম বাড়িয়ে মুনাফা করছে। এ অবস্থায় রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন দরকার বলেও জানান আনু মুহাম্মদ।
ভারতকে ট্রানজিট দিলে অনেক জমি হারাতে হবে বলে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ভারত ফারাক্কা বাঁধ দিয়ে আমাদের কৃষি জমি ধ্বংস করেছে। এতে যদি প্রতি বছর ১০ লাখ টন চাল ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয় তাও কম হবে। এরপর তিস্তা ব্যারেজে ক্ষতি করেছে। আর এখন নতুন করে টিপাইমুখ ড্যামের মাধ্যমে যে ক্ষতি হবে তাতে ১০ হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিলেও পোষাবে না। আর ভারতকে ট্রানজিট দিতে গিয়ে যে অবকাঠামো তৈরি করা হবে তাতেও অনেক আবাদি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলেও জানান অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ।


























































